Meyeti-Ekhon-Kothay-Jabe

মেয়েটা এখন কোথায় যাবে (পর্ব-৬)

সোমা আবারো বলল, ‘কে? কে ওখানে?’
কেউ জবাব দিল না। সোমা দরজার কাছে এগিয়ে গেল। দরজা না খুলেই সে আবার ডাকল। তার গলার স্বর কাঁপছে। সে ভীত কিন্তু উচ্চস্বরে ডাকল, ‘ফরিদ ভাই?’
দরজা বন্ধ থাকায় সোমার কথা নিচে সামান্যই পৌঁছল। সোমা এবার দরজায় শব্দ করে ডাকল-ফরিদ ভাই।
লিভিং রুম থেকে ফোনে কথা শেষ করে ফরিদ চলে এসেছে রান্নাঘরে। হঠাৎ ক্ষীণ স্বরে ফরিদ তার নাম শুনতে পেল। সোমা সম্ভবত তাকে ডাকছে। ফরিদ উপরে উঠে দরজার সামনে এসে দাঁড়াল। কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে সে ডাকল, ‘সোমা।’
সোমা কাঁপা কণ্ঠে বলল, ‘ফরিদ ভাই?’
‘হ্যাঁ আমি, কি হয়েছে? ভয় পেয়েছ নাকি? দরজাটা খুলো।’
‘আপনি কি কিছুক্ষণ আগে দরজায় নক করেছিলেন?’
‘আমি একবার এসেছিলাম তোমাকে ডাকতে। তুমি হয়তো ঘুমচ্ছ তাই আর ডাকিনি। কেন বলো তো?’
‘আমি স্পষ্ট শুনেছি—দরজায় কেউ নক করেছে। ঠক ঠক শব্দ হয়েছে।’
‘আচ্ছা আচ্ছা দেখছি ব্যাপারটা কি। দরজাটা খুলো—নাহলে তো কিছু বুঝতে পারছি না।’
সোমার ভয় কাটল না। তবুও সে আস্তে করে দরজা খুলে দেখল হাসি হাসি মুখ করে ফরিদ দাঁড়িয়ে আছে। ফরিদের হাসিমাখা মুখখানি দেখে তার ভয় অনেকখানি কেটে গেল।
সোমার মুখের দিকে তাকিয়েই ফরিদ বুঝতে পারল, কিছু একটা সমস্যা হয়েছে। ফরিদ বলল, ‘আমার ধারণা, অতিরিক্ত টেনশন আর টায়ার্ডনেসের কারণে তোমার ব্রেইন ঠিকমত কাজ করছে না।’ ফরিদ লক্ষ্য করল সোমা সেই একই পোশাক পরে আছে। তারমানে তার গোসল হয়নি এখনো। সে বলল, ‘তুমি শাওয়ারটা সেরে নিচে আসো।’
ফরিদ চলে যেতেই সোমা ধীরে ধীরে বাথরুমে ঢুকে শাওয়ার ছেড়ে দিল। এবং দীর্ঘ সময় ঝরনার নীচে দাঁড়িয়ে থাকল। হালকা গরম পানির প্রবাহ তার শরীর বেয়ে নেমে যাচ্ছে। এক ধরনের আরামদায়ক অনুভূতি হচ্ছে। আরামে সে চোখ বন্ধ করে ফেলল।
দীর্ঘ ক্লান্তি আর অবসাদগ্রস্ত শরীরটায় একটু একটু করে প্রাণ ফিরে এসেছে। এখন বেশ প্রফুল্ল লাগছে। গোসল শেষ করে নীচে নেমে এলো সোমা। এদিক ওদিক তাকিয়ে শব্দের উৎস খুঁজে এগিয়ে গেল। যে মানুষটির সঙ্গে এই বাসায় সে চলে এসেছে তাকে দেখল রান্না ঘরে দাঁড়িয়ে কিছু একটা করছে। সোমা রান্না ঘরের দরজায় দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করল, ‘কি করছেন?’
ফরিদ ঘাড় ঘুরিয়ে দেখল সোমাকে। বাসন্তী আর লালের মিশ্রণের সুন্দর একটা তাঁতের শাড়ি পরেছে সে। ভেজা চুল ছড়িয়ে আছে কাঁধের দু’পাশে। ভারী সুন্দর লাগছে মেয়েটিকে। ফরিদ মুগ্ধ নয়নে চেয়ে রইল সোমার মুখের দিকে। কি নিষ্পাপ চেহারা। শান্ত—মায়াবী।
ফরিদ বলল, ‘এই তো রান্নার আয়োজন করছি।’
‘রান্না কেন?’
‘রাতে খেতে হবে না? বাসায় খাস মেহমান—তাও আবার নিজের দেশ থেকে এসেছে। তাকে আপ্যায়ন করতে হবে না?’
‘রাতে কি আমি এখানেই থাকছি নাকি?’ উৎকণ্ঠা নিয়ে জিজ্ঞেস করল সোমা।
‘তা তো জানিনা। তবে রাতে যে তুমি এখানেই খাচ্ছ, দ্যাটস ফর শিওর।’
‘রেস্টুরেন্ট থেকে না একগাদা খাবার নিয়ে এলেন?’
‘আরে রেস্টুরেন্টের খাবার রেস্টুরেন্টেই ভালো লাগে। বাসায় খাওয়া যায় নাকি? একবার ফ্রিজে রাখলে আর মজা লাগে না। ফ্রেশনেস নষ্ট হয়ে যায়।’
সোমা মিষ্টি করে হেসে বলল, ‘কি রান্না করছেন?’
‘গরম ভাত। ডাল আর গরুর মাংস। ডাল আর ভাত হয়ে গেছে। কিন্তু মাংস নিয়ে একটু ঝামেলার মধ্যে আছি—কিছুতেই সিদ্ধ হচ্ছে না। মনে হয়ে বুড়ো মাংস নিয়ে এসেছি।’
সোমা এবার শব্দ করে হেসে ফেলল।
বাহ, হাসলে মেয়েটিকে আরো সুন্দর লাগছে। এখন পর্যন্ত মেয়েটির কোনো হাসি দেখা যায়নি। সোমাকে হাসতে দেখে ভালো লাগছে ফরিদের। মেয়েটি স্বাভাবিক হচ্ছে। এটা ভালো লক্ষণ। ফরিদ জিজ্ঞেস করল, ‘ঘুম হয়েছে একটু?’
‘বুঝতে পারছি না। মনে হয় হয়েছে।’
‘জেট ল্যাগ। এত বড় লম্বা জার্নির পর এমন হয়। কিছুক্ষণ পর পর ঘুম আসে। আর একটু ঘুমলেই মনে হয় অনেক ঘুম হয়েছে।’
‘ভীষণ টায়ার্ড লাগছিল। তাই গোসল করে নিলাম।’
‘খুব ভাল করেছ।’ একটু থেমে ফরিদ আবার বলল, ‘তোমাকে ভীষণ সুন্দর লাগছে সোমা।’
‘থ্যাঙ্ক ইউ!’
‘তোমার নিশ্চয়ই এখন খিদে পেয়েছে। তখন তো কিছুই খেলে না।’
‘হ্যাঁ খিদে পেয়েছে। মনে হচ্ছে এক গামলা ভাত খেয়ে ফেলি।’
‘মাংসটা সিদ্ধ হচ্ছে না। মনে হচ্ছে কাঁচা মাংসই খেতে হবে। ঝামেলাই হলো।’
‘দেখি দিন আমাকে দিন—আমি দেখছি।’ সোমা এগিয়ে গেল।
‘আরে নাহ—তুমি পারবে না। এগুলো আমেরিকান স্টাইলে রান্না—খেতে পারবে কিনা তাই নিয়েই আমি সন্দিহান।’
‘সমস্যা নেই। আমি বাংলাদেশি স্টাইলে রাঁধব। আপনি যান ফ্রেশ হয়ে আসুন। তারপর একসাথে খেতে বসব।’
ফরিদ তার গায়ের অ্যাপ্রনটা খুলে সোমাকে পরিয়ে দিল। এখন তারমধ্যে কোনো রকম জড়তা নেই। যাওয়ার আগে ফরিদ বলল, ‘সোমা, আমি আরো কয়েক জায়গায় ফোন করেছি। শিকাগোর বাংলাদেশি এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্টের সাথেও আমার কথা হয়েছে। সমস্যা হচ্ছে—এখানে কেউ তাকে চিনতে পারছে না। শহীদ বোধ হয় বাঙালীদের কোনো অনুষ্ঠান গুলিতে কখনো যায়-টায় না। এত বড় একটা কমিউনিটিতে কেউ তাকে চিনবে না—এটা অবিশ্বাস্য। আমি আরেকজন বাঙালী ক্যাব ড্রাইভারকেও বলেছি—তাকে খুঁজে বের করবোই। কোথায় আর যাবে। তুমি একদম চিন্তা করো না।’
‘কি বলে যে আপনাকে ধন্যবাদ দিব—বুঝতে পারছি না।’
‘আরে কী বলো—ধন্যবাদ দিতে হবে না। এই বিদেশ বিভূঁইয়ে কেউ কারো জন্যে কিছু করতে পারাটাও একটা ভাগ্যের ব্যাপার। সবার কিন্তু সেই ভাগ্য হয় না।’ বলেই ফরিদ চলে গেল।
সোমা লক্ষ্য করল, শহীদের জন্যে তার আর আগের মত কষ্ট লাগছে না। কিন্তু কেন? সে ফরিদকে ধন্যবাদ দিল ঠিকই কিন্তু সেটা কেমন যেন মেকি মনে হলো। নাকি অন্য কিছু?
এই মধ্যবয়স্ক মানুষটিকে এখন অন্যরকম লাগছে সোমার। মনে হচ্ছে কাছের কেউ—অনেক আপনজন। সোমা লক্ষ্য করেছে, ফরিদ মাঝে মাঝেই তাকে তুমি তুমি করে বলছে আবার মাঝে মাঝে আপনি। শুধু তাই নয়, সে ঐ ছেলেগুলি—বাদশা এবং ইকবালকে একবার তুই আবার তুমি করে বলছে। সোমার বাবাও অনেকটা এরকম ছিলেন—সিচুয়েশন এবং মুডের উপরে তার ছেলেমেয়েদের সাথে তুই আর তুমির মিশ্রণে কথা বলতেন তিনি।
ফরিদ ফিরে এসে দেখল সোমার রান্না প্রায় হয়ে এসেছে। মাংসের চেহারা এবং রঙের আমূল পরিবর্তন দেখে ফরিদ অবাক হয়ে গেল। ফরিদ কাউন্টারের উপর বসে জিজ্ঞেস করল, ‘বাহ দেখতে তো বেশ সুন্দর হয়েছে। তুমি রান্না শিখেছো কার কাছে?’
‘আমার মায়ের কাছ থেকে।’ সোমা মাংস নাড়তে নাড়তেই বলল। ‘আপনি?’ সোমা জানতে চাইল।
‘একা একাই শিখেছি। এদেশে সবাই একসময় রান্না শিখে যায়। উপায় তো নেই—হার্ড লাইফ।’ ফরিদের কথা শেষ হবার সঙ্গে সঙ্গেই বাসার ফোন বেজে উঠল। ফরিদ রান্না ঘরের দেয়ালে ঝুলানো ফোন তুলে নিয়ে বলল, ‘হ্যালো।’
‘বস, আমি বাদশা।’
‘হ্যাঁ বলো।’
‘বস ঐ পোলার কোনো খোঁজ বাইর করতে পারলাম না। এত জায়গায় গেলাম—কেউ হালারে চিনে না। আমার তো মনে হয় বস এখন পুলিশে একটা ফোন করা দরকার—এতো ঝামেলা…’
বাদশা কথা শেষ করার আগেই ফরিদ তাকে ধমকে উঠে বলল, ‘ধুর মিয়া, পুলিশে ফোন করা যায়, সেটা কি আমি জানিনা মনে করেছ?’
‘আমি চিন্তা করছিলাম বস, আপনার কাজ নষ্ট হইতেছে। এর মধ্যে একটা ঝামেলা আপনার কান্ধে আইসা জুটছে। কাম-কাইজ ফালায় রাইখা আপনেই বা কতক্ষণ দেখবেন। তাই ভাবছিলাম পুলিশরে জানাইলে তারাই একটা শেল্টার হোমে মেয়েটারে থাকার ব্যবস্থা করে দিত।’
ফরিদ রাগান্বিত স্বরে বলল, ‘আর ইউ আউট অফ ইয়োর মাইন্ড? এসব কি বলছিস তুই? আমরা এতগুলো মানুষ থাকতে মেয়েটাকে শেল্টার হোমে যেতে হবে?’ এটুকু বলেই ফরিদ লক্ষ্য করল সোমা রান্না বন্ধ করে তার দিকে তাকিয়ে আছে। তার চেহারায় একটা দুশ্চিন্তার ছাপ স্পষ্ট দেখা দিল। ফরিদ এবার ফোনটা নিয়ে পাশের রুমে গিয়ে চাপা স্বরে বলল, ‘একটু বোঝার চেষ্টা কর—বাংলাদেশ থেকে একটা মেয়ে এসেছে। সে একটা বিপদে পড়েছে—তাকে সাহায্য করাটা আমাদের নৈতিক কর্তব্য। এটা আমাদের সবার দায়িত্ব। আমরা যদি এই মুহূর্তে তার পাশে না দাড়াই, তাকে সাহায্য না করি তা হলে কে করবে?’
‘আপনে বুঝতে পারতেছেন না বস—বাসার মধ্যে একা একটা মেয়েকে নিয়ে গেছেন, এদিকে আবার কান কথা শুরু না হয়ে যায়। আপনার একটা রেপুটেশন আছে বস। তাই বলছিলাম ঝামেলার কি দরকার…’
‘কান কথা মানে? কিসের কান কথা? কান কথা কে ছড়াবে? আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না—এ ধরনের কথা কেনই বা আসবে?’ ফরিদের ভীষণ রাগ হলো, তবুও সে যথাসম্ভব মাথা ঠাণ্ডা রাখার চেষ্টা করল। সে গলার স্বর নিচু করে বলল, ‘তোকে যা করতে বলেছি তাই কর। বাকীটা আমি দেখছি।’ বলেই ফরিদ ফোন কেটে দিল।
ফরিদ ফিরে এসে দেখল রান্না ঘরে সোমা নেই। বুঝতে পারল সোমা আহত হয়েছে। তার সামনে এইভাবে কথা বলায় তার মন খারাপ হবারই কথা। নিশ্চয়ই অস্বস্তিতে পড়েছে মেয়েটা। ফরিদ সিদ্ধান্ত নিল মেয়েটিকে একটু সময় দেয়া দরকার। এদিকে তার খিদেও পেয়েছে অনেক। সোমার খাওয়া দরকার সবার আগে—সারাদিনে সে কিছুই খায়নি। ফরিদ ধীর পায়ে উপরে উঠে সোমার ঘরের দরজায় গিয়ে নরম স্বরে ডাকল, ‘সোমা।’
সোমা কোনো উত্তর দিল না।
ফরিদ আবার ডাকল। কোনো উত্তর না পেয়ে ফরিদ বলল, ‘সোমা আমি জানি তুমি কষ্ট পেয়েছ। তোমার সামনে এভাবে কথাগুলো বলা ঠিক হয়নি। তুমি কি একটু নীচে আসবে ভাই, আমি বিষয়টা বুঝিয়ে বলছি।’
সোমা কিছু বলল না। ফরিদ এবার সর্বশেষ অস্ত্র প্রয়োগ করল। সে বলল, ‘দেখো আমি সারাদিন কিছু খাইনি। আমার কিছু মেডিসিন খেতে হয় যা খালি পেটে খাওয়া যায় না। আমাকে এখন খেতে হবে। মুশকিল হচ্ছে তোমাকে ছাড়া খেতে পারছি না।’ এটুকু বলে ফরিদ চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল দরজার ওপাশে।
কিছুক্ষণ পরে দরজা খুলে বাইরে এসে দাঁড়াল সোমা। ফরিদকে বলল, ‘এত নাটক করতে হবে না। আপনি যান আমি আসছি।’
সোমার কথার বলার ভঙ্গীতে ফরিদ হেসে ফেলল। সে হাসতে হাসতেই নীচে নেমে গেল।
নীচে নামতে নামতেই ইকবালের ফোন এলো। ফরিদ হ্যালো বলতেই সে বলল, ‘এইটা হান্ড্রেড পার্সেন্ট ফ্রড কেস, বস। আমার তো মনে হয় ঐ হালার অন্য কোথাও সম্পর্ক আছে। এই রকম ঘটনা কিন্তু বস আগেও ঘটছে। আই’ম শিওর ঐ ব্যাটার আরেকটা বউ আছে—হয় কাইল্যা না হয় মেক্সিকান। গ্রিনকার্ড বানাইয়া আবার বিয়া করছে দেশ থিকে… এইটা ফ্রড কেস না হয়েই যায় না…’
‘দেখো ইকবাল, কারো সম্পর্কে না জেনে কিছু বলা ঠিক না। এসব ফালতু চিন্তা বাদ দিয়ে আগে দেখো, ছেলেটাকে খুঁজে পাও কিনা?’ রেগে গেলে ফরিদ তুমি করে বলে। ইকবাল, বাদশা, রন্টু এমন বেশ কিছু যুবকের সঙ্গে ফরিদের বেশ ভালো সম্পর্ক রয়েছে। ফরিদ তাদের সবাইকে কোনো না কোনো ভাবে সাহায্য করেছে—শিকাগোতে প্রতিষ্ঠিত হবার ব্যাপারে। তাদের সবাই ফরিদকে বড় ভাইয়ের মত মানে। সে সবার বস।
‘খুঁজতেছি তো বস—শিকাগোর কোনো জায়গা বাদ নাই। কিন্তু তারে তো কেউ চিনেনা।’
‘কেউই চিনবে না এটা হতেই পারে না।’
কিছুক্ষণ চুপ থেকে ইকবাল বলল, ‘বস, মাইয়াটারে রাত্রে কই রাখবেন তাইলে?’
ফরিদ একটু চুপ করে রইল। সে কি উত্তর দেবে? বাইরে তুষারপাত হচ্ছে। রাতও হয়েছে অনেক। এই অবস্থায় সোমাকে কার বাসায় পাঠাবে? সবচেয়ে বড় কথা, যার বাসায়ই পাঠানো হোক না কেন, শুরু হবে একটার পর একটা অযাচিত প্রশ্ন। মেয়েটাকে কোথায় পেলেন, আপনার কে হয়, আপনি আগে থেকে চিনতেন কিনা, আপনার কাছেই বা কেন এলো? এই লোকের চরিত্র খারাপ সবাই জানে—বউ তো আর এমনি এমনিই যায় নাই? সোমা নিশ্চয়ই বিব্রত হবে। এমনিতেই যথেষ্ট ধকল যাচ্ছে—এরপর আরো বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে ফেলাটা মোটেও ঠিক হবে না।
ফরিদ বলল, ‘ব্যবস্থা করছি। এটা নিয়ে মাথা না ঘামালেও চলবে—তোকে যা বললাম, তুই তাই কর।’ বলেই লাইন কেটে দিল ফরিদ।

পরের পর্ব

আগের পর্ব

Tags: No tags

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *