সোমা নেমে এসে দেখল চিন্তিত মুখে টেবিলের এক কোনায় বসে আছে ফরিদ। সোমা বলল, ‘আমি আপনাকে অনেক ঝামেলার মধ্যে ফেলে দিয়েছি তাই না?’
‘না না ঝামেলা হতে যাবে কেন? এসব কি বলছ তুমি? আমি তো তোমাকে নিয়ে ভাবছি না—ভাবছি শহীদকে নিয়ে। ছেলেটার কোনো বিপদ হলো কিনা?’
সোমা চুপ করে রইল।
ফরিদ প্রসঙ্গ বদলে দেবার জন্যে বলল, ‘শেষ পর্যন্ত মাংসটা কিন্তু দারুণ হয়েছে। কি সুন্দর গন্ধ বেরিয়েছে দেখেছ? চলো এবার খেয়ে নেয়া যাক। খেয়ে-দেয়ে ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করি আমাদের পরবর্তী করণীয় কী?’
সোমা কিছু না বলে চুপ করে রইল। তার মনের মধ্যে আরেকটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। সে জানতে চাইল, ‘আচ্ছা, শেল্টার হোম কি? তখন বলছিলেন…’
ফরিদ খানিকক্ষণ চুপ করে থাকল। একটু ভেবে নিয়ে বলল, ‘এক ধরনের আশ্রম। সাধারণত যখন কোনো মেয়ে অন্যের দ্বারা হয়—শারীরিক এবং মানসিক দু’ভাবেই হতে পারে কিংবা প্রাণনাশের হুমকি থাকে—এমন পরিস্থিতিতে সেই মেয়েটির যদি আত্মীয়-পরিজনের কাছ থেকে পর্যাপ্ত সাহায্য-সহযোগিতা না মেলে, তাহলে সে শেল্টার হোমের আশ্রয়ে থাকতে পারে।’
সোমা চুপ করে শুনল। ফরিদ আরো একটু ব্যাখ্যা করল, ‘মূলত, যাদের মাথার ওপরে ছাদ নেই, তাদের জন্য বড় বড় শহরে সাবসিডাইজড্ গভর্নমেন্ট হাউজিং আছে এবং সারা দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে সরকারি ও বেসরকারি শেল্টার হোম যেখানে গৃহহীনদের থাকা-খাওয়ার সুব্যবস্থা থাকে বারোমাস। বিশেষ করে ডোমেস্টিক ভায়োলেন্সের কারণে যে সব মেয়েরা ঘর ছাড়তে বাধ্য হয়—তাদের ইমিডিয়েটলি একটা থাকার ব্যবস্থা হয় এখানে।’
‘আমাকে কোনো শেল্টার হোমে রেখে আসা যায় না?’
সোমার এমন আচমকা প্রশ্নে ফরিদ হকচকিয়ে গেল। তার কেন যেন একবার মনে হচ্ছিল সোমা এমন কিছুই হয়ত ভাবছে। সে তাৎক্ষণিক উত্তর দিল, ‘হ্যাঁ তা তো যায়ই। কিন্তু তাতে তো এই ক্রাইসিসের কোনো সমাধান হচ্ছে না। এই মুহূর্তে আমাদের প্রধান ক্রাইসিস হচ্ছে শহীদকে খুঁজে বের করা।’
‘কিন্তু তাকে তো পাওয়া যাচ্ছে না।’
‘আজকে পাওয়া যায়নি তো কি হয়েছে। কালকে নিশ্চয়ই যাবে। সে হয়ত কোথাও আটকা পড়ে আছে—আমরা জানি না। হয়ত দেখা যাবে কাল সকালে ঠিকই হাজির হয়েছে।’
‘আর যদি না হয়?’
‘সেক্ষেত্রে প্রথমেই যে কাজটা আমরা করব সেটি হচ্ছে—লোকাল পুলিশ স্টেশনে গিয়ে একটা রিপোর্ট করব। তারপর সেই রিপোর্ট নিয়ে চলে যাবো ইয়েলো ক্যাবের অফিসে—ওদের কাছে নিশ্চয়ই তথ্য থাকবে। সে সর্বশেষ কখন প্যাসেঞ্জার তুলেছে সেটা জানলেই অর্ধেক কাজ হয়ে যাবে।’
‘এখন যাওয়া যায় না?’
ফরিদ হাত ঘড়িতে সময় দেখে নিয়ে বলল, ‘এখন তো অফিস বন্ধ।’
সোমা আর কিছু বলল না। সে এখনো দরজার সামনেই দাঁড়িয়ে আছে। ফরিদ বলল, ‘এবার কি আমরা খেতে পারি?’
সোমা টেবিলে এসে বসল। ফরিদ আনন্দচিত্তে খাবারগুলো টেবিলে এনে রাখল। ভেবেছিল সোমাই হয়ত সাহায্য করবে কিন্তু তার মধ্যে কোনো আগ্রহ দেখা গেল না—সে বসে রইল চুপচাপ। ওর মনের অবস্থা ঠিক বোঝা যাচ্ছে না।
ফরিদের সামনে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে কোনো ভাবে রাতটা পার করা। এবং যে করেই হোক সোমার মনটাকে অন্যদিকে ব্যস্ত রাখা। কাজটা কঠিন তবুও চেষ্টা করতে হবে। রাতে একা এই বাসায় সে থাকতে চাইবে কি না সেটাও একটা সংশয়। এই আবহাওয়ায় ওকে পাঠাবেই বা কোথায়? যতক্ষণ পর্যন্ত সোমা ঘুমাতে না চায়—ততক্ষণ বিভিন্ন প্রসঙ্গে ওর সঙ্গে কথা বলে যেতে হবে।
‘এত বড় বাড়িতে আপনি একা থাকেন?’ ফরিদের চিন্তায় ছেদ পড়ল সোমার প্রশ্নে।
ফরিদ একটু হেসে দিয়ে বলল, ‘হ্যাঁ।’
‘কেন?’
‘একা থাকি!’
‘আপনি বিয়ে করেন নি?’
ফরিদ আবারো হাসল। হাসতে হাসতেই বলল, ‘না।’
‘কেন?’
‘কোনো মেয়ে আমাকে পছন্দ করেনি তাই।’
‘কেন?’
‘তা তো বলতে পারবো না। কি জানি, হয়ত আমি দেখতে অতটা সুশ্রী নই।’
কথাটা শুনে সোমার একজনের কথা মনে পড়ল। সেও দেখতে অতটা সুশ্রী নয় কিন্তু কী তার ব্যক্তিত্ব! আর ঠিক তখনই সোমার মনে পড়ল—মানুষটা দেখতে কার মত। তার সেই পছন্দের মানুষটার সাথে প্রচণ্ড মিল। একেবারে ট্রু কপি! তার মত কথা বলা, মিষ্টি করে হাসা, অধিকার নিয়ে ধমক দেয়া—কেয়ার করা সব-সব তার মত। সোমার মনটা হঠাৎ করেই বেশ ভালো হয়ে গেল। তার বেশ মজা লাগছে—কেন লাগছে তা অবশ্য সে নিজেও ঠিক জানে না।
সোমা হেসে দিয়ে বলল, ‘কি বলেন? আপনি দেখতে অনেক সুন্দর।’
ফরিদ মৃদু হেসে বলল, ‘আমার মায়ের পরে তুমিই প্রথম বললে আমি দেখতে সুন্দর।’
সোমা আবার বলল, ‘আপনি অনেক সুন্দর করে কথা বলেন। আর সবচেয়ে বড় কথা—আপনি অনেক কেয়ারিং।’ তারপর হঠাৎ করেই অনেকটা মুখ-ফসকে বলে ফেলল সোমা, ‘আমার একজন প্রিয় মানুষের সাথে আপনার অনেক মিল।’
‘তাই? কে সে?’
‘অন্য সময় বলব।’
ফরিদকে বেশ খুশি মনে হলো। এটা নয় যে সোমা তাকে সুন্দর বলেছে সে জন্যে। অন্তত মেয়েটার চিন্তাটাকে ডাইভার্ট করা গেছে ফরিদ এতেই সন্তুষ্ট। সোমা নিজে থেকেই কথা বলছে এটাও একটা ভালো লক্ষণ।
সোমা চারিদিকে তাকিয়ে বলল, ‘বাড়িটা তো অনেক বড়। সুন্দর করে সাজিয়েছেন। একা থাকতে আপনার খারাপ লাগে না?’
ফরিদ প্রথমে কিছু বলল না। সোমা তাকিয়ে আছে দেখে সে বলল, ‘একেবারেই যে লাগে না তা নয়—মাঝে মাঝে তো একটু ডিপ্রেস লাগেই। একা থাকতে কারই বা ভালো লাগে বলো? নিঃসঙ্গ মানুষের অনেক ধরনের কষ্ট থাকে। তবে কাজের ব্যস্ততা থাকে—সময় কেটে যায়।’
সোমা এবার একটু ইতস্তত করে বলল, ‘একটা কথা জিজ্ঞেস করি?’
‘করো।’
‘জানি প্রশ্নটা করতে নেই, তবুও জানতে ইচ্ছে করছে।’
‘বলো কি জানতে চাও?’
‘আপনি কী করেন?’
‘ও এই কথা?’ ফরিদ হেসে দিয়ে বলল, ‘আমি ব্যবসা করি। রিয়েল-এস্টেটের ব্যবসা। বাড়ি কিনি, বাড়ি বিক্রি করি। আবার নতুন যারা বাড়ি কিনতে চায়—তাদেরকে বাড়ি খুঁজে দেই। এখানে রিয়েল এস্টেট এজেন্ট বলে। বাংলায় যাকে বলে দালাল—হা হা হা।’
‘আপনি কত বছর এখানে?’
‘অনেকদিন। প্রায় ২০ বছর।’
‘এখানে পড়াশুনা করেছেন?’
‘না, আমি ঢাকা ইউনিভার্সিটি থেকে ফিলসফিতে মাস্টার্স করেছি।’
সোমা চোখ বড় করে তাকিয়ে রইল ফরিদের দিকে।
ফরিদ বলল, ‘আচ্ছা ফিলসফির কথা যখন উঠলই তখন তোমাকে একটা গল্প বলি।’ ফরিদের ইচ্ছে হলো, যতক্ষণ সম্ভব কথা বার্তা চালিয়ে নিয়ে যেতে হবে। এতক্ষণে সোমার স্বভাব সম্পর্কে ফরিদের মোটামুটি একটা ধারণা হয়ে গেছে। মেয়েটি আবার যে কোনো সময় কান্নাকাটি শুরু করে দিতে পারে। সেই সুযোগ তাকে দেয়াটা ঠিক হবে না। মেয়েটি কতক্ষণ আগ্রহ নিয়ে তার কথা শোনে সেটাই চিন্তার বিষয়।
‘বলেন? কী চিন্তা করছেন?’
সোমার কথায় ফরিদের চিন্তাচ্ছেদ হলো। সে গল্প বলা শুরু করল, ‘সক্রেটিসের নাম নিশ্চয়ই শুনেছ। সক্রেটিস কে তার এক শিষ্য এসে বলল, গুরুজি আমি বিয়ে করতে চাই। শুনে সক্রেটিস বলল, ভালো—বিয়ে করো। মেয়ে যদি ভালো হয় তবে তুমি সুখী হবে আর যদি ভালো না হয় তবে তুমি দার্শনিক হয়ে যাবে। আমার মত হা হা হা।’
সোমাও হেসে ফেলল। হাসি থামতেই ফরিদ জিজ্ঞেস করল, ‘তুমি পড়াশোনা করেছ কোথায়?’
‘ফরিদপুরে। অনার্স পাশ করেছি।’
‘কোন সাবজেক্টে?’
‘ইকনোমিকস।’
‘মাস্টার্স করলে না কেন?’
সোমা মন খারাপ করে ফেলল। মন খারাপ করেই সে বলল, ‘ভেবেছিলাম এখানে এসে করবো।’
ফরিদ শঙ্কিত হলো—সোমা আবার কেঁদে না ফেলে। এখন নিশ্চয়ই ওর স্বামীর কথা মনে পড়বে। সে হয়ত ওকে বলেছিল, দেশে আর পড়াশুনা করতে হবে না। আমেরিকা এসেই মাস্টার্স করো। কে জানে।
সোমা বারে বারে অন্যমনস্ক হয়ে যাচ্ছে। লক্ষণ ভালো নয়। ঝড়ের পূর্বাভাস। শুরু হওয়ার পূর্বেই গতিপথ বদলে দিতে হবে। ফরিদ দ্রুত জিজ্ঞেস করল, ‘আচ্ছা এখন বাংলাদেশে শুনেছি অনার্স কোর্স অনেক বড় হয়েছে—কত বছরের কোর্স এখন?’
‘চার বছর।’
‘হুম। আমাদের সময় তিন বছর ছিল।’
‘আমার কিছু ভালো লাগছে না।’ সোমা অস্থির হয়ে বলল, ‘আমি আবার দেশে কথা বলতে চাই। আমাকে একটু লাইন দিয়ে দিন।’ বলেই সে কেঁদে ফেলল।
ফরিদ যেই ভয় পেয়েছিল তাই ঘটতে যাচ্ছে মনে হয়। সামনে আরো কি বিপদ আছে কে জানে। সে দ্রুত বলল, ‘সমস্যা নেই। লাইন দিয়ে দিচ্ছি এখুনি। একটু ওয়েট করো।’
ফরিদ ফোন কার্ড নিয়ে এসে লাইন দিয়ে সোমার হাতে ফোনটা দিল।
রুমা ফোন ধরতেই সোমা কেঁদে দিয়ে বলল, ‘হ্যালো, হ্যালো আপা… আপা, আমি না তখন তোকে সত্যি কথা বলি নাই। হ্যাঁ। ঐ শহীদ তো আমাকে নিতে আসে নাই এয়ারপোর্টে।’
‘কি বলছিস এসব? আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না।’
‘এয়ারপোর্ট থেকে বের হয়ে আমি তিন ঘণ্টা অপেক্ষা করছি—কিন্তু শহীদ যায় নাই আমাকে আনতে।’
রুমা চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করে দিল। সোমা বলল, ‘একে একে সবাই চলে গেল। কতজনের কাছে হেল্প চাইলাম—কিন্তু কেউ হেল্প করল না। আমার কথা তো কেউ বুঝে না। আমি পরে অনেকের সঙ্গে হাঁটতে হাঁটতে বাইরে চলে আসি। পরে একজন বাঙালী ভদ্রলোকের সাথে দেখা—উনার ফোন নিয়ে শহীদরে কতবার কল করলাম, কিন্তু শহীদ ফোন ধরল না। পরে উনিই আমাকে এয়ারপোর্ট থেকে নিয়ে আসছেন।’
‘তাইলে তুই এখন কোথায়?’
‘আমি ফরিদ ভাইয়ের বাসায়। উনার নাম ফরিদ আহমেদ। উনি খুবই ভালো মানুষ—আমাকে অনেক হেল্প করছে। উনার সঙ্গে দেখা না হলে যে আমার কি হতো? আমি তো ঠাণ্ডায় জমে মরে পড়ে থাকতাম।’
‘হায় হায়—এত কিছু ঘটে গেছে আর আমরা কিছুই জানি না? তুই এখন কি করবি?’
‘কিছুই জানি না—কি করব। আচ্ছা, আমি রাখি—আমি পরে আবার কল দিব।’
সোমার কথার মধ্যে ফরিদ বেশ কয়েকবার কথা বলতে চাচ্ছিল। এবার সোমাকে থামিয়ে দিয়ে সে বলল, ‘তুমি এক কাজ কর, আমার ফোন নাম্বারটা তোমার বোনকে দিয়ে দাও।’
সোমা ফরিদের নাম্বার রুমাকে দিয়ে বলল, ঐ নাম্বারে ফোন দিয়ে খোঁজ নিতে। সোমা ফোন রেখে দিয়ে আরো কিছুক্ষণ কাঁদল। ফরিদ তাকে কাঁদতে দিল।
একটু সময় নিয়ে ফরিদ বলল, ‘সোমা তুমি তোমার কান্নাটা একটু থামাও—একটু স্থির হয়ে বসো। কান্নাটা থামালে তোমাকে একটা অদ্ভুত কথা বলব।’
কিছুক্ষণ পর সোমা চোখ মুছে তাকাল ফরিদের মুখের দিকে।
ফরিদ বলল, ‘দেখো আজকে এই যে তুমি কাঁদছ… যখন তুমি শহীদকে পেয়ে যাবে, সুন্দর সুখের একটা সংসার শুরু করবে—তখন কিন্তু আজকের দিনটার কথা মনে করে তুমি হাসবে।’
সোমা কাঁদতে কাঁদতেই বলল, ‘আমার কি মনে হয় জানেন?’
‘কি?’
‘শহীদ আসলে ইচ্ছে করেই আমাকে নিতে আসে নাই। ও আমার ব্যাপারে কনফিউজড ছিল। আরেকটা মেয়ের সঙ্গে ওর এফেয়ার ছিল—অনেকদিনের পরিচয়। সেই মেয়েটাকেই ও বিয়ে করতে চাইছিল। কিন্তু মেয়েটার বাবা-মা রাজী হয় নাই—ও ক্যাব চালায় বলে। শহীদ হয়ত এখনো ঐ মেয়েটাকে ভুলতে পারে নাই। তাই ও আমাকে নিতে আসে নাই।’ বলেই সোমা আবার কাঁদতে থাকল।
ফরিদ মাথা নেড়ে বলল, ‘আমার কিন্তু তা মনে হয় না। তাই যদি হবে—সেটা তো তোমাকে আগেই বলে দিত তাই না। তোমাকে এতদূর নিয়ে আসার তো কোনো দরকার ছিল না।’
শাড়ির আঁচল দিয়ে চোখ মুছে সোমা আবার বলল, ‘আসলে মানুষ মাঝে মাঝে কনফিউজড থাকে। জানেন কি হয়েছে, আমার এক বান্ধবী ছিল। ওর একটা ছেলের সঙ্গে প্রেম ছিল। কিন্তু ওর বাবা-মা ওর বিয়ে ঠিক করে আরেকটা ছেলের সাথে। বিয়ের রাতে সে তার হাজবেন্ডকে বলল-ডোন্ট টাচ মি। আমার ভালোবাসার মানুষ আছে। আমি আপনাকে কখনোই ভালোবাসতে পারব না। তারপর ওর হাজবেন্ডকে ডিভোর্স দিয়ে বয়ফ্রেন্ডকে বিয়ে করে। বলেন, এর কোনো মানে হয়? ও তো আগেই বলতে পারত। শুধু শুধু ছেলেটাকে কষ্ট দেয়া।’
‘রাইট শুধু শুধু কষ্ট দেয়া…’ ফরিদ আরো কিছু বলতে চাচ্ছিল, এর মধ্যে ফোন বেজে উঠল।
ফরিদ সোমার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘সোমা ফোনটা ধরো তো। মনে হচ্ছে এটা শহীদের ফোন—ধরো।’
সোমার চেহারা বদলে গেল। মুখে একটা প্রশান্তির হাসি নিয়ে ফোনটা ধরে বলল, ‘হ্যালো?’
মেয়েটি এখন কোথায় যাবে (পর্ব-৭)
with
no comment

